Saturday, March 18, 2023

রমজান ও রোজা সম্পর্কে জেনে নিন!

*সেহরী র ইফতার মানে কি?* *রোজা ,রমজান কি? বিস্তারিত ভাবে জানতে চাই* 🎉🎉🎉🎉🌻🏵️🌻🌻🌻🌻🏵️🏵️🏵️🍁🍁🍁🍁🍁
উত্তর :

শুরু হতে যাচ্ছে রমজান। ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে এই মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। গোটা রমজান মাস রোজা বা উপবাস রাখেন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। এই সময় সারা দিনে মাত্র দু-বার খাদ্য গ্রহণ করেন তাঁরা। এছাড়াও *রমজান মাসে পবিত্র ভাবে জীবন যাপনের নির্দেশ রয়েছে কোরানে। মিথ্যে কথা বলা বা কোনও পাপ কাজ করা এই সময় মুসলিমদের সর্বোতভাবে পরিত্যাজ্য।*
রমজানে মাসে দুটি কথা আমরা বারবার শুনে থাকি। একটি সাহরি, অন্যটি ইফতার। ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা রমজান মাসে সেহরি ও ইফতার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালন করেন। *কিন্তু অমুসলিমরা জানেন কি, এই দুটি শব্দের অর্থ?*

রমজান সম্পর্কে wiki থেকে 

Fasting in Islam (known as Sawm[1] (صَوْم) ], also commonly known as Rūzeh or Rōzah (Persian: روزه‎) in non-Arab Muslim countries), 

is the practice of abstaining, usually from food, drink, smoking, and sexual activity. During the Islamic holy month of Ramadan, Sawm is observed between dawn and nightfall when the evening adhan is sounded.
[2] Ramadan is the ninth month of the Muslim lunar calendar and fasting is the fourth of the five pillars of Islam.

*Wikipedia says about Ramadan*👇
https://en.m.wikipedia.org/wiki/Fasting_in_Islam
বাংলা উইকপিডিয়ায়_________
https://bn.m.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8

মহাগ্রন্থ আল কুরআন এ
আল্লাহ তা‘আলা বলেন :

﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ كُتِبَ عَلَيۡكُمُ ٱلصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى ٱلَّذِينَ مِن قَبۡلِكُمۡ لَعَلَّكُمۡ تَتَّقُونَ ١٨٣ ﴾ [البقرة: ١٨٣] 

অর্থাৎ হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর সিয়াম (রোজা) ফরজ (অবশ্য কর্তব্য) করা হয়েছে, যেমন ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার(মুত্তাকী : যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে সীমালঙ্ঘন অর্থাৎ খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকে)
 (Al Quran: বাকারাহ : ১৮৩)
অরবি ভাষায় *সাহরি কথাটির অর্থ 'ঊষার পূর্বের খাবার'*। অর্থাত্‍ সূর্যোদয়ের আগে যা খেয়ে নিতে হবে। রমজান মাসে সূর্য ওঠার আগে মুসলিমরা যে খাবার খেয়ে থাকেন, সেই প্রথাকে সেহরি বলা হয়। সারা দিন এর পরে আর কিছু না খেয়ে *আবার সন্ধের পর খাদ্য গ্রহণ করেন রোজা পালন করা মুসলিম সম্প্রদায়। সূর্যাস্তের পরের সেই খাবারকে ইফতার বলা হয়।*

রমজান মাসে অনেকে একসঙ্গে বসে ইফতার গ্রহণ করেন। খেজুর খাবার মাধ্যমে ইফতার শুরু করাই প্রথা। তবে অনেক জায়গায় জল পান করে ইফতার শুরু হয়।

*রোজার মূল উদ্দেশ্য কি? শুধুই কি উপবাস?*
_

🍁🌻🌻🍁🌻🍁_________________
এর মূল উদ্দেশ্য হলো👇
 তাকওয়া অর্থাৎ আল্লাহভীতি অর্জন। এটা এমন একটা ভয় যা মানুষকে খারাপ কাজ হতে ফিরিয়ে রাখে। একজন রোজাদার আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রোজা পালন করে, আল্লাহর ভয়ে গোপনেও কিছু খায় না, সৎ কাজে এগিয়ে যায়, রোজার সওয়াব নষ্ট হয় এমন অনেক জিনিস পরিহার করে- এভাবে সিয়াম সাধনা (রোজা) আল্লাহর হুকুম মানতে মানুষকে অভ্যস্থ করে এবং মানুষের সুকুমার বৃত্তিগুলোকে জাগিয়ে তোলে।
যে রোজা মানুষকে ভালো হতে উৎসাহিত করে না, যে রোজার মাধ্যমে মানুষ খারাপ কাজ পরিহার করতে শেখে না- সে রোজা যথার্থ রোজা নয়। 

বর্ণিত হাদিসের আলোকে আমাকে-আপনাকে ভাবতে হবে, নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে, আমাদের রোজাগুলো কী তার হক অনুযায়ী হচ্ছে, না শুধু আমরা উপবাস থাকছি?

*রোজা রাখার পর যে কাজ গুলো থেকে বিরত থাকা জরুরি*
🍁🏵️🌻🎉🌻🍁_____________________👇
বর্ণিত হাদীসটি হলো,
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহেওয়াসাল্লাম) বলেন,
_
 ‘‘যে ব্যক্তি রোযা রেখে মিথ্যা কথা ও তার উপর আমল ত্যাগ করতে পারল না, সে ব্যক্তির পানাহার ত্যাগ করার মাঝে আল্লাহর কোন প্রয়োজন নেই।’’[1]
_____________
1] (বুখারী ৬০৫৭, ইবনে মাজাহ ১৬৮৯,
তিনি আরো বলেন,
"তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি সিয়াম পালন করবে সে যেন অশ্লীল আচরণ ও চেচামেচি করা থেকে বিরত থাকে। যদি কেউ তাকে গালি দেয় বা তার দিকে মারমুখী হয়ে আসে তবে সে যেন তাকে বলে ‘আমি রোযাদার’। (অর্থাৎ রোযা অবস্থায় আমি গালিগালাজ ও মারামারি করতে পারি না। (মুসলিম : ১১৫১)

*এমন কি যদি শর্ত গুলো না মানে তবে শুধু উপবাস হবে, রোজা হবে না* , এই বিষয়ে Muhammad (SAW) বলেছেন যে,
"এমন অনেক রোযাদার আছে যার রোযা থেকে প্রাপ্তি হচ্ছে শুধুমাত্র ক্ষুধা ও তৃষ্ণা। তেমনি কিছু নামাযী আছে যাদের নামায কোন নামাযই হচ্ছে না। শুধু যেন রাত জাগছে। (অর্থাৎ সালাত আদায় ও সিয়াম পালন সুন্নাত তরীকামত না হওয়ার কারণে এবং মিথ্যা প্রতারণা ও পাপাচার ত্যাগ না করায় তাদের রোযা ও নামায কোনটাই কবুল হচ্ছে না)" (আহমাদ : ৮৮৪৩)

> *গিবত ও মিথ্যাচার না করা
>> *রূঢ় আচরণ থেকে বিরত থাকা*

রোজা আল্লাহর মাস। এ মাসে আল্লাহ বান্দাকে পরিপূর্ণ নেয়ামত দান করেন। তাই রমজানে সবার সঙ্গে ভালো আচরণ করা সৎকর্মশীল বান্দার গুণ। তাই কোনো রোজাদারকে যেমন কোনো কষ্ট দেয়া উচিত হবে না, তেমিন করো সঙ্গে রূঢ় আচরণ করাও ঠিক হবে না। সবার সঙ্গে ভালো আচরণ ও কল্যাণ কামনাই জরুরি। 

>> *খারাপ দৃষ্টিতে না তাকানো*
>> *পরনিন্দা থেকে বিরত থাকা*

কাজগুলো শুধু রোজা অবস্থায় নিষিদ্ধ এমন নয় বরং সবসময়ের জন্যই এ কাজগুলো অন্যায় ও ঘৃণিত কাজ। বছর জুড়ে এ কাজগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখতে রমজানই এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার উপযুক্ত সময়।

তাই মুমিন মুসলমানের উচিত এ কাজগুলো থেকে বিরত থেকে রোজা ও ইবাদতের বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি। রোজার পরিপূর্ণ হক আদায়ে যত্নবান হওয়া জরুরি। সব সময় এ কথা ও কাজগুলো থেকে বিরত থেকে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণ লাভ করা জরুরি।

আল্লাহ তাআলা রোজাদার ব্যক্তিকে এ কথা ও কাজগুলো থেকে বিরত থেকে রোজা ও ইবাদতকে আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য করার তাওফিক দান করুন। আল্লাহর কাছ থেকে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

*স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোজা*
___🍁🌻🌻🌻🌻🍁🍁🌻🎉
______ এবার জেনে নিই যে
বিবেচনায় রোজা আমাদের আধ্যাত্মিক ও শারীরিকভাবে কিছু বিষয় পরিত্যাগ করার কি কি শিক্ষা দেয়?

বছরব্যাপী অপরিমিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে শরীরে যে অতিরিক্ত মেদ জমে থাকে তা রোজা রাখার ফলে দূরীভূত হয়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মানুষের শরীরে এইচডিএল (high-density lipoprotein) এবং এলডিএল (low-density lipoprotein) পাওয়া যায়। 

এইচডিএল এমন ফ্যাট, যা বহু রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে এবং এর পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে তা স্বাস্থ্যের পক্ষে মোটেও ক্ষতিকারক নয়। রোজা রাখার ফলে এইচডিএলের পরিমাণ বহুগুণে বেড়ে যায়। বিপরীতে এলডিএল, যা মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে চরম ক্ষতিকারক।  

রোজা রাখার ফলে এটা হ্রাস পেতে থাকে এবং রক্ত সঞ্চালনের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিকত্ব এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো বিভিন্ন রোগ থেকে আমাদের রক্ষা করে। 

রোজা রাখার ফলে ইউরিক অ্যাসিড এবং রক্তের ইউরিয়ার ঝুঁকিও হ্রাস পায়। যা শরীরে অধিক পরিমাণে বিদ্যমান থাকলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, কিডনি রোগ এবং ডায়াবেটিসের মতো রোগের কারণ হয়ে থাকে। 

আসল কথা হল রোজা কেবল সারাদিন উপোস থেকে নির্ধারিত সময়ে খাদ্য ও পানীয় গ্রহণের নাম নয়। বরং এর দ্বারা আল্লাহ তায়ালা শারীরিক বহুবিধ রোগব্যাধি থেকেও আমাদের রক্ষা করেন। 

স্বাস্থ্য বিজ্ঞানের মতে ১৬-১৭ ঘণ্টা ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত থাকার ফলে শরীরের অঙ্গগুলো স্বাভাবিক হতে থাকে এবং পাচনতন্ত্রের উন্নতি হয় এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রোগ, যেমন- গ্যাস, বদহজম, লিভারের রোগ, জয়েন্টে ব্যথার ঝুঁকি ইত্যাদি কমে যায়। 
কিন্তু আমাদের দেশের মানুষেরা না জানার কারণে কিংবা অসতর্কতাবসত সাহরি ও ইফতারে অপরিমিত খাবার খেয়ে থাকেন। যা রোগব্যাধি হ্রাসের পরিবর্তে বাড়ার দিকে ধাবিত করে।

_______________
*#অটোফজি : সম্প্রতি এক গবেষণায় fasting বা *উপবাস (রোজা) নিয়ে গবেষণা করে নোবেল প্রাইজ* পেলেন ,,জেনে নিই বিষয়টি*👇👇
🎉🎉🌻🌻🌻🌻🌻🍁🍁🍁🌻🌻🌻

- যদি কোন মানুষ বছরে অন্তত 20 বা 25 দিন 12 থেকে 14 ঘন্টা সম্পূর্ণ “উপবাস” করে, তখন তার শরীর থেকে এই হরমোন(M.G.F -1)এর পরিমাণ প্রয়োজনের থেকে অনেকটাই কমে যাবে। 
এমন অবস্থায় তার শরীরে নতুন কোষ তৈরী হতে পারবে না। এবং শরীরের সবল কোষ গুলো দুর্বল কোষ গুলোকেই খেতে শুরু করবে। ফলে সুগার, প্রেসার ও ক্যানসারের সম্ভাবনা শূন্য(0) হয়ে যাবে। এই প্রক্রিয়াকে “মেডিকেল সায়েন্স” এর ভাষায় “অটোফেজি” বলা হয়।

-এই গবেষণার জন্যই বিজ্ঞানী ইউসনোরি ওসুমি’কে “নোবেল” পুরষ্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

বর্তমান সময়ে ক্যানসার প্রতিরোধের জন্য এর চেয়ে ভালো পদ্ধতি আর নেই।

উল্লেখ্য বিজ্ঞানী ইউসনোরি ওসুমি আরো বলেন- “আরও ভাল হয় যদি কেউ ঐ 20-25 দিন ছাড়াও সপ্তাহে আরও দুদিন সম্পূর্ণ উপবাস করেন”। তিনি এও বলেন- “আমি নিজেও এই পদ্ধতিতে জীবন যাপন করি”। 
এই ঘটনার কিছু দিন পর এক মুসলিম বন্ধুর থেকে জানতে পারেন- “মুসলিমরা বছরে গোটা এক মাস সম্পূর্ণ উপবাস করেন এবং সপ্তাহে দুই দিনও কিছু মুসলিম উপ বাস করেন এবং 1500 বছর ধরে করেআসছেন”। 
..এটা জানার পর বিজ্ঞানী চমকে ওঠেন এবং আগ্ৰহের সঙ্গে জিজ্ঞাসা করেন-“কে এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিলেন”?? 
উত্তর পান- বিশ্বনবী মুহাম্মদ (সা:)। 
... অত:পর সেই বিজ্ঞানী এখন কোরান নিয়ে গবেষণা করছেন - আলহামদুলিল্লাহ
___________________
সংগ্রহ ও সংযোজন : Sk জুয়েল

Wednesday, February 22, 2023

* হতাশ হবেন না

* হতাশ হবেন না...

বারাক ওবামা যখন প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অবসর নেন তখন তার বয়স ৫৫ বছর।
অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তখন তার বয়স ৬৯ বছর।
এখানে যখন সকাল ৫ টা বাজে, লন্ডনে তখন রাত ১০:৩০মিনিট 
সময়ের হিসেবে লন্ডন, প্রায় ছয় ঘণ্টা পিছিয়ে..
এতে কিন্তু প্রমাণ হয় না যে, লন্ডন এখনকার প্লেস থেকে স্লো (slow)!

পৃথিবীর সবকিছু আপন গতিতে এবং নিজ সময় অনুযায়ী চলে।
কেউ গ্রাজুয়েশন শেষ করে ২২ বছর বয়সে..
কিন্তু চাকরি পেতে আরো ৫ বছর লেগে যায়।
আবার কেউ ২৭ বছরে গ্রাজুয়েশন শেষ করে পরের দিনই চাকরি পেয়ে যান!

অনেকে ২৫ বছর বয়সে কোম্পানির CEO হয়ে, মারা যান ৫০ বছর বয়সে।
আবার অনেকে ৫০ বছর বয়সে CEO হয়ে, মারা যান ৯০ বছরে।
কেউ ৩৩ বয়সে এখনও সিঙ্গেল,
আবার কেউ ২২ বছর বয়সে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিয়েছেন!

মনে হতেই পারে, পরিচিতদের মধ্যে আপনার থেকে কেউ অনেক এগিয়ে আছেন,
আবার কেউ আছেন অনেক পিছিয়ে।
কিন্তু আপনার ধারনা ভুল..
প্রত্যেকেই তার নিজ নিজ সময়, অবস্থান এবং গতিতে আছেন।
আগে থাকাদের প্রতি অভিযোগ না করে, পিছিয়ে থাকাদের অবহেলা না করে,
সব সময় শান্ত থাকুন।

আপনি এগিয়েও নেই, পিছিয়েও নেই!
আপনার পথ আপনার, অন্যের পথ অন্যের।
শুধু সময়কে গুরুত্ব দিয়ে পরিশ্রম করে যান..

একদিন ঠিকই সফল হবেন ইনশাআল্লাহ!
#Ferdunbiswash

Tuesday, February 21, 2023

PG ASSIGNMENT ANSWER SCRIPT DOWNLOAD NOTICE

*#New_notice*

PG STUDENTS *আজ ২২/২/২৩ দুপুর ২ টো থেকে* 

☞✪➤ *এসাইনমেন্ট Answer Script Download করা যাবে।*। পারলে প্রিন্ট করে নেবেন,,, 


বিস্তারত জানতে ভিডিও টি মনোযোগ সহকারে দেখুন👇👇( click here to view)

Details 😊😊👇👇

http://www.wbnsou.ac.in/student_zone/examinations/examination_notices/pg/2023/20230220_Notice_for_Downloading_Assignment_Answer_Scripts_of_PG_TEE_June2022_Dec2022.pdf

ভাষা আন্দোলনের এক নাম

#শহীদ_আবুল_বরকত, আমাদের মুর্শিদাবাদ জেলার গর্ব ও বরকত সাহেব সম্পর্কিত কিছু মূল্যবান তথ্য :-

১৯২৭ সালের ১৩ জুন (মতান্তরে ১৬ জুন) ভরতপুর থানার (বর্তমানে সালার থানা) বাবলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আবুল বরকত সাহেব। 
তাঁর বাবার নাম ছিল সামসুজ্জোহা এবং মা হাসিনা বিবি। 
জাহাঙ্গীর এর আমলে উত্তর ভারত থেকে কিছু পণ্ডিত মানুষ আসেন কান্দি, সালার, তালিবপুর ও কাগ্রাম এলাকায়। ওনাদের ফার্সি ও আরবী ভাষায় পাণ্ডিত্যের কারণে বিনামূল্যে করমুক্ত জমিও দান হিসেবে পান। ওনাদের কেউ কেউ নবাব দের অনুগ্রহ লাভ করেন। দিল্লীর দরবার থেকে আগত ওই সব লোকজনরা ধীরে ধীরে পুরোপুরি বাংলার জল, মাটি , যাওয়ার সাথে মিশে পুরো দস্তুর বাঙালি হয়ে যান। পারিবারিক দিক থেকে সামসুজ্জোহার পরিবার ছিল এনাদেরই বংশধর। এনারা বেশ লম্বা চওড়া চেহারায় এবং উন্নত স্বাস্থ্যের অধিকারী ছিলেন। আবুল বরকত এর উচ্চতা ছিল আফগান পাঠানদের মতো। তাঁর ডাক নাম ছিল আবাই। শিশু বয়স থেকেই মেধাবী ছিলেন আবুল বরকত।বাবলা গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি ১৯৩৭ সালে তালিবপুর হাইস্কুলে ভরতি হন। এই স্কুলের জন্যে জমিদান করেছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষদের একজন, নাম ফুল মিয়া।
১৯৪৫ সালে তালিবপুর স্কুল থেকে সসম্মানে মাট্রিক পাশ করেন। স্কুলের পাঠ শেষ করলে তাঁকে ১৯৪৫ সালে বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজে ভর্তি করা হয়। উনি থাকতেন বহরমপুরের #রাজা_মিয়া মসজিদ এর ছাত্রাবাসে। 
এবার আসি আসল গল্পে। কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে কৃতিত্বের সাথে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করেন। ওই বছর ভারত ভাগের পর ওনাদের মামার পরিবার ঢাকাতে চলে যান। ওনার মামার নাম আব্দুল মালেক যিনি ঢাকার জল উন্নয়ন বোর্ডের এ্যাসিস্ট্যান্ট একাউন্টস অফিসার হিসেবে কাজ করতেন এবং থাকতেন ঢাকার পল্টনে বিষ্ণু প্রিয়া ভবনে। সেইসময় কলকাতা বিশ্ব বিদ্যালয়ে পড়ার খরচ খুব বেশি ছিল তাই স্থির হয় আবুল বরকত ঢাকাতে তাঁর মামার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করবেন। ১৯৪৮ সালে চলে যান পল্টন এ মামার বাড়িতে। তাঁর বাবা মা দুজনেই থেকে যান মুর্শিদাবাদে। ১৯৫১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ স্থান অধিকার করে গ্র্যাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন। ওই সময় তিনি এম.এ ক্লাসে ভরতি হন। কিন্তু তারপরেই জড়িয়ে পড়েন ভাষা আন্দোলনে। উনি ছিলেন অনেক লম্বা তাই ওনার উপর দায়িত্ব ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পতাকা টাঙানোর। এতে উনি বেশ পারদর্শী ছিলেন। বিক্ষোভের রেশ চরমে ওঠে যখন ১৯৫২ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘটের ডাক দেয় ছাত্ররা। ছাত্রদের বিক্ষোভ দমন করতে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে উর্দুভাষী পাকিস্থানি সরকার ১৪৪ ধারা বহাল রাখে। ছেলেরা ফুঁসে ওঠে এই ১৪৪ ধারার বিরুদ্ধে। সাধারণ মানুষও এগিয়ে এসে হরতালের যোগ দেয়। ওই দিন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণ খন্ড যুদ্ধ বাঁধে পুলিশের সাথে। সামনের সারিতে ছিল দীর্ঘদেহী আবুল বরকত। পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। সামনের সারিতে থাকা আবুল বরকত সাহেবের বুকে হঠাৎ গুলি লাগে। লুটিয়ে পড়েন ওখানে। তারপর তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালের ইমারজেন্সি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু রক্তক্ষরণের ফলে রাত আটটায় হাসপাতালের বেডে তাঁর মৃত্যু হয়। এভাবেই ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবুল বরকত উস্কে দিলেন স্ফুলিঙ্গ। ওই দিন 144 ধারা ছিল কিন্তু মৃত্যু সংবাদ কানে যেতেই আশেপাশের লোকজন ওই আইন অমান্য করে জড়ো হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে। ভয় পেয়ে যায় সরকার।ৎসেদিন মারা যায় অনেক লোক কিন্তু পুলিশ মর্গ ও হাসপাতাল থেকে সরিয়ে ফেলে অনেক লাশ। যাতে বাইরে ছড়িয়ে না যায় এর খবর। সৌভাগ্য ক্রমে আবুল বরকত সাহেবের মামা আব্দুল মালেক এবং আরেক আত্মীয় আবুল কাশেম সরকারের উচ্চপর্যায়ের অফিসার ছিলেন। মূলত তাদের দুই জনের কর্মচেষ্টার ফলে পুলিশের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় বরকত সাহেবের লাশ। এভাবেই শেষ হয় একটি অধ্যায় এর।

যারা ভাষা আন্দোলন মানে ভাবেন কিছু বাংলাদেশির দ্বারা উর্দুভাষী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন, এটা ভুল ধারণা। বাংলাদেশ এর অনেকেই কৃতিত্ব বা পেটেন্ট নিয়ে বসে আছেন যে, এটা নাকি শুধুমাত্র বাংলাদেশীদের দ্বারা বাংলা ভাষার জন্য আন্দোলন। কিন্তু এখন থেকে আমরা পশ্চিমবঙ্গ তথা মুর্শিদাবাদবাসী গর্বের সঙ্গে বলবো ভাষা আন্দোলনে আমাদের ছেলে আবুল বরকতের কথা, ওনার বীরত্বের কথা, আত্ম বলিদানের কথা। কেন জানিনা সবাই ভুলিয়ে দিতে চায় এই গৌরবময় গাথার কথা। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিবিদ রাও এব্যাপারে উদাসীন। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের লগ্নে সবাইকে জানিয়ে দিন এই গৌরব গাথার কথা ।

সূত্র :- দা মসনদ ওফ মুর্শিদাবাদ ও আরো কিছু গুরুত্বপূর্ন রেফারেন্স বই এবং বিশেষ সহযোগিতায় মুর্শিদাবাদের উইকিপিডিয়া Tanvir Islam ...
_
সোহেল রানা আলম

Monday, February 20, 2023

টাকার বিনিময়ে ফেসবুকের ব্লু ব্যাজ, ঘোষণা মার্ক জুকারবার্গের facebook-blue-badge-for-money-announced-by-mark-zuckerberg/

আর ‘ফ্রি’ নয় ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ।
 টুইটার কর্তা এলন মাস্কের পথে এবার মার্ক জুকারবার্গ। চলতি সপ্তাহেই ব্যবহারকারীদের জন্য সাবস্ক্রিপশন চালু করতে যাচ্ছে মেটার মালিকানাধীন ফেসবুক। এর ফলে

☞✪➤ প্রতি মাসে নির্দিষ্ট ফি প্রদান করে ফেসবুক প্রোফাইলে ‘ব্লু টিক’ ব্যাজ, অ্যাকাউন্ট যাচাইকরণসহ বিভিন্ন সুরক্ষা সুবিধা পাওয়া যাবে। রবিবার, এই ঘোষণা দিয়েছেন মার্ক জুকারবার্গ।


নীল টিকের জন্য গ্রাহকদের মাসে গুনতে হবে ১১ দশমিক ৯৯ ডলার ও আইওএসে ১৪ দশমিক ৯৯ ডলার। প্রাথমিকভাবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে এই সেবা চালু করা হবে বলে পোস্টে তিনি লিখেছেন। তিনি আরো লিখেছেন, পর্যায়ক্রমে আরো দেশে ব্লু ব্যাজ প্রদানের পরিষেবা চালু করা হবে।


মার্ক জাকারবার্গ এর ওয়াল থেকে 😊👇👇👇
ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে জুকারবার্গ লিখেছেন, চলতি সপ্তাহে আমরা ‘মেটা ভেরিফায়েড’ সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করতে যাচ্ছি।


 এর ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে অ্যাকাউন্ট যাচাই, ব্লু ব্যাজ, অতিরিক্ত সুরক্ষাসহ সরাসরি গ্রাহক সহায়তা সুবিধা পাওয়া যাবে। 


যেসব অ্যাকাউন্ট ছদ্মবেশে অন্যের নামে ব্যবহার করা হয়, তাদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সুরক্ষাও মিলবে এই সেবায়।

Sunday, February 19, 2023

বই পড়ি জীবন গড়ি

📗📕📒 *বই পড়া নিয়ে এক শাইখ ও ছাত্রের মাঝে কথোপকথন:* 📔📒📕
----------------------------------------------

এক ছাত্র তার শাইখকে বলল, শাইখ, আমি বই পড়ি কিন্তু সেখান থেকে কিছুই মুখস্থ রাখতে পারি না।

শাইখ ছাত্রের হাতে একটা ফল দিয়ে বললেন, খাও। তারপর বললেন, ফলটা খাওয়ার পরে কি তুমি একটু বড় হয়েছ?


 📗📕📒 *বই পড়া নিয়ে এক শাইখ ও ছাত্রের মাঝে কথোপকথন:* 📔📒📕

----------------------------------------------

এক ছাত্র তার শাইখকে বলল, শাইখ, আমি বই পড়ি কিন্তু সেখান থেকে কিছুই মুখস্থ রাখতে পারি না।

শাইখ ছাত্রের হাতে একটা ফল দিয়ে বললেন, খাও। তারপর বললেন, ফলটা খাওয়ার পরে কি তুমি একটু বড় হয়েছ?

ছাত্র: না।



শাইখ: কিন্তু কি হয়েছে? ফলটা তোমার দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে ভাগ হয়ে গেছে। ফলে এতে তোমার শরীরে রক্ত তৈরি হয়েছে, শরীরের মাংস, হাড্ডি, চামড়া, নখ, চুল বৃদ্ধিতে কাজ করেছে, রগ-রেশায় এর প্রভাব সৃষ্টি হয়েছে...।

ঠিক তদ্রূপ মানুষ যখন একটা বই পড়ে তখন সে বইয়ের কোন কিছুই মুখস্থ না রাখতে পারলেও এটি তার মধ্যে নানাভাবে প্রভাব ফেলে। তার ভাষা শক্তিশালী হয়। জ্ঞান বৃদ্ধি পায়। চিন্তাশক্তি প্রসারিত হয়। চরিত্র মার্জিত হয়।তার কথা-বার্তা, লিখনি, চাল-চলন, ইত্যাদিতে বিভিন্নভাবে প্রভাব ফেলে। কিন্তু মানুষ সেটা সহজে উপলব্ধি করতে পারে না।



~শাইখ আব্দুল্লাহিল হাদী।

রমজান ও রোজা সম্পর্কে জেনে নিন!

* সেহরী র ইফতার মানে কি?* *রোজা ,রমজান কি? বিস্তারিত ভাবে জানতে চাই* 🎉 🎉🎉🎉🌻🏵️🌻🌻🌻🌻🏵️🏵️🏵️🍁🍁🍁🍁🍁 উত্তর : শুরু হতে যাচ্ছে রমজা...