Wednesday, June 16, 2021

_একটি বৃষ্টি ভেজা দিনের অনুপ্রেরণা গল্প _Inspiration story of a rainy wet day

🏮Good morning 🌻🌻🌅

একটি বৃষ্টি ভেজা দিনের অনুপ্রেরণা গল্প__```

🏮➖➖➖➖➖➖➖🏮
আজ আপনাদের এমন একটা গল্প শোনাবো যেটা অনুপ্রেরণা তো পাবেন ই সাথে বাড়বে নিজের প্রতি বিশ্বাস

তো চলুন শুরু করা যাক,
গল্পটি অবশ্যই শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়বেন । গল্পের twist তো শেষেই

🔵🔵🔵⚫⚫🔵🔵⚫🔘🔘

```বর্ষার বিকেলে আকাশ কালো করে ঝুম বৃষ্টি নেমেছে, মেঘের গর্জন আর বৃষ্টির ঝংকারে মাতোয়ারা ব্যাঙের দল ঘ্যাঙরঘ্যাঙ রব তুলে নাইতে বেরিয়েছে সদলবলে। মাঠের পারে পুরোনো একটা কুয়ো, তার দেয়ালে সবাই বসে তাইরে নাইরে না গাইছে গলা ছেড়ে, এমন সময় পা পিছলে কিভাবে যেন দুটো ব্যাঙ ঝপাস করে পড়ে গেল কুয়োয়! গান থামিয়ে সবগুলো ব্যাঙ ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে দেখে কুয়োর তলে ভাসছে বেচারা ব্যাঙ দুটো।```

“কত্তো গভীরে কুয়োর পানি! কোন বাহাদুরেরও সাধ্য নেই এখান থেকে উঠে আসার।” বিরসবদনে বলে উঠলো পালের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যাঙটি। সবাই মাথা নাড়লো কথাটি শুনে, ঠিক বলেছে বুড়ো, কুয়োর পানি এত্তো গভীরে, সেখান থেকে লাফ মেরে উঠে আসা চাট্টিখানি কথা নয়! কালচে পানিতে অন্ধকারে প্রায় দেখা যায়না হাপুসহুপুস শব্দে লাফ দিয়ে বেড়াচ্ছে দিশেহারা ব্যাঙ দু’টি, প্রাণপণে চেষ্টা করছে দেয়াল বেয়ে উঠে আসার।

🏮🏮🔵🔵➿➿🔵🔵🏮🏮
“হাল ছেড়ে দাও বন্ধু! এখান থেকে উঠে আসা সম্ভব নয়, মরতে যদি হবেই খামাখা লাফঝাঁপ করে কী লাভ?” বুড়ো ব্যাঙটি শ্লেষের সুরে বললো গলা ফুলিয়ে। সবাই অবাক হয়ে তাকালো কথাটি শুনে, তারপর কী মনে করে একসাথে মাথা দুলিয়ে বলা শুরু করলো সবাই, “হাল ছেড়ে দাও বন্ধু!” প্রথমে বিড়বিড় করে, তারপর জোরে জোরে, তারপর একদম গলা ফাটিয়ে নেচে নেচে বলতে লাগলো সবাই!

পানিতে এতক্ষণ হুটোপুটি করে শরীর প্রায় অবশ হয়ে এসেছে ব্যাঙ দুটোর, তবুও এই নির্মম কথাটি শুনে কেমন অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো ```একটি ব্যাঙ উপরে নিরাপদে বসে থাকা তার বন্ধুদের দিকে, টের পেল তার শরীর ভার হয়ে আসছে, একটু একটু করে তলিয়ে যাচ্ছে পানিতে। শেষবারের মতো ঘ্যাং করে অস্ফুট একটা ডাক ছেড়ে তলিয়ে গেল বেচারা, বিস্ফোরিত চোখজোড়ায় একরাশ হতাশা আর অনেকখানি বেদনা নিয়ে, অন্ধকারের অতলে মিলিয়ে গেল চিরদিনের জন্য। অপর ব্যাঙটির অবশ্য কোনদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই, সে উন্মাদের মতো লাফিয়ে বেড়াচ্ছে কুয়োজুড়ে।```


🏮🏮

ব্যাঙগুলো এতক্ষণে যেন একটু বিরক্ত হয়ে উঠেছে, তারা আরো জোরে জোরে বলতে লাগলো সমস্বরে, “হাল ছেড়ে দাও বন্ধু!” উত্তরে ব্যাঙটা আরো দ্বিগুণ উৎসাহে দাপাদাপি জুড়ে দিল, এবং সবার চোখ ছানাবড়া করে দিয়ে একলাফে উঠে আসলো কুয়োর দেয়ালে! চোখ ঝলমল করছে তার বিশ্বজয়ের আনন্দে, হাঁপাতে হাঁপাতে ছুটে জড়িয়ে ধরলো সে পালের গোদা বুড়ো ব্যাঙটিকে। “কী বলে ধন্যবাদ জানাবো আমি তোমাদের! মৃত্যু আমাকে গ্রাস করতে এসেছিল, তোমরা পুরোটা সময় আমাকে উৎসাহ যুগিয়ে না গেলে অনেক আগেই হয়তো হাল ছেড়ে দিতাম!”

_ব্যাঙেরা কথা শুনে হতবাক হয়ে মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে, বুড়ো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বলতে যায়, “কিন্তু আমরা তো আসলে_..”
❤️🔥

*তার কথা কেড়ে নিয়ে ব্যাঙটি বলে উঠে, “খুব দুঃখের বিষয় আমি কানে শুনতে পাইনা! আজ তোমরা যেভাবে নেচে-গেয়ে উৎসাহ যুগিয়ে গেলে, না জানি কতো অনুপ্রেরণামাখা কথা বলেছ*!

তোমাদের উৎসাহ দেখে আমার জেদ চেপে গিয়েছিল, কিছুতেই হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না!”

```লজ্জায় মাথা নত হয়ে আসে সবগুলো ব্যাঙের, বৃষ্টির কূল ছাপানো কল্লোলে বধির ব্যাঙটি একাই ডেকে ওঠে মনের আনন্দে ঘ্যাঙরঘ্যাঙ শব্দে!```


*শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা*

➿👌🏼👌🏼👌🏼👌🏼👌🏼👌🏼👌🏼➿

_সত্যিই তো, কখনো কখনো তোমার একটি কথা কারো বুকে শূল হয়ে বিঁধতে পারে, যেমনটি ঘটেছে প্রথম ব্যাঙটির ক্ষেত্রে। তাই সবসময় অনুপ্রেরণা যোগাবে সবাইকে, প্রত্যেকটি মানুষের কিছু না কিছু গুণ থাকে সেটিকে উৎসাহ দিবে_। তোমার ছোট্ট একটু অনুপ্রেরণা একজন মানুষের জীবন একদম বদলে দিতে পারে, সেটি কখনো ভুলে যেয়ো না। আর যারা তোমাকে হতাশার কথা শোনাবে, তাদের জন্য হয়ে ওঠো দ্বিতীয় ব্যাঙটির মতো! হতাশা একটি বিলাসিতা,


```সুতরাং কেউ তোমাকে এসব শোনাতে আসলে সেগুলো এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দিবে।```

_শেষ করছি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা দিয়ে...._

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে",

যদি       গহন পথে যাবার কালে কেউ ফিরে না চায়—
                   তবে        পথের কাঁটা
ও তুই       রক্তমাখা চরণতলে        একলা দলো রে॥

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে",
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
🙏🙏🙏
সংগ্রহ ও সংযোজন:
এস কে জুয়েল

আজ এই

পর্যন্তই , আশা করি ভালো লেগেছে।ভালো থাকবেন।সুস্থ থাকবেন। নিজের যত্ন নেবেন।দুআ করবেন।।

শোনাবো গল্প আবারও কোনোদিন!⭕😊⭕😊⭕😊☺️⭕🪄👑

_একটি বৃষ্টি ভেজা দিনের অনুপ্রেরণা গল্প _Inspiration story of a rainy wet day

🏮Good morning 🌻🌻🌅

একটি বৃষ্টি ভেজা দিনের অনুপ্রেরণা গল্প__```

🏮➖➖➖➖➖➖➖🏮
আজ আপনাদের এমন একটা গল্প শোনাবো যেটা অনুপ্রেরণা তো পাবেন ই সাথে বাড়বে নিজের প্রতি বিশ্বাস

তো চলুন শুরু করা যাক,
গল্পটি অবশ্যই শেষ পর্যন্ত মন দিয়ে পড়বেন । গল্পের twist তো শেষেই

🔵🔵🔵⚫⚫🔵🔵⚫🔘🔘

```বর্ষার বিকেলে আকাশ কালো করে ঝুম বৃষ্টি নেমেছে, মেঘের গর্জন আর বৃষ্টির ঝংকারে মাতোয়ারা ব্যাঙের দল ঘ্যাঙরঘ্যাঙ রব তুলে নাইতে বেরিয়েছে সদলবলে। মাঠের পারে পুরোনো একটা কুয়ো, তার দেয়ালে সবাই বসে তাইরে নাইরে না গাইছে গলা ছেড়ে, এমন সময় পা পিছলে কিভাবে যেন দুটো ব্যাঙ ঝপাস করে পড়ে গেল কুয়োয়! গান থামিয়ে সবগুলো ব্যাঙ ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে দেখে কুয়োর তলে ভাসছে বেচারা ব্যাঙ দুটো।```

“কত্তো গভীরে কুয়োর পানি! কোন বাহাদুরেরও সাধ্য নেই এখান থেকে উঠে আসার।” বিরসবদনে বলে উঠলো পালের সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যাঙটি। সবাই মাথা নাড়লো কথাটি শুনে, ঠিক বলেছে বুড়ো, কুয়োর পানি এত্তো গভীরে, সেখান থেকে লাফ মেরে উঠে আসা চাট্টিখানি কথা নয়! কালচে পানিতে অন্ধকারে প্রায় দেখা যায়না হাপুসহুপুস শব্দে লাফ দিয়ে বেড়াচ্ছে দিশেহারা ব্যাঙ দু’টি, প্রাণপণে চেষ্টা করছে দেয়াল বেয়ে উঠে আসার।

🏮🏮🔵🔵➿➿🔵🔵🏮🏮
“হাল ছেড়ে দাও বন্ধু! এখান থেকে উঠে আসা সম্ভব নয়, মরতে যদি হবেই খামাখা লাফঝাঁপ করে কী লাভ?” বুড়ো ব্যাঙটি শ্লেষের সুরে বললো গলা ফুলিয়ে। সবাই অবাক হয়ে তাকালো কথাটি শুনে, তারপর কী মনে করে একসাথে মাথা দুলিয়ে বলা শুরু করলো সবাই, “হাল ছেড়ে দাও বন্ধু!” প্রথমে বিড়বিড় করে, তারপর জোরে জোরে, তারপর একদম গলা ফাটিয়ে নেচে নেচে বলতে লাগলো সবাই!

পানিতে এতক্ষণ হুটোপুটি করে শরীর প্রায় অবশ হয়ে এসেছে ব্যাঙ দুটোর, তবুও এই নির্মম কথাটি শুনে কেমন অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো ```একটি ব্যাঙ উপরে নিরাপদে বসে থাকা তার বন্ধুদের দিকে, টের পেল তার শরীর ভার হয়ে আসছে, একটু একটু করে তলিয়ে যাচ্ছে পানিতে। শেষবারের মতো ঘ্যাং করে অস্ফুট একটা ডাক ছেড়ে তলিয়ে গেল বেচারা, বিস্ফোরিত চোখজোড়ায় একরাশ হতাশা আর অনেকখানি বেদনা নিয়ে, অন্ধকারের অতলে মিলিয়ে গেল চিরদিনের জন্য। অপর ব্যাঙটির অবশ্য কোনদিকে ভ্রুক্ষেপ নেই, সে উন্মাদের মতো লাফিয়ে বেড়াচ্ছে কুয়োজুড়ে।```


🏮🏮

ব্যাঙগুলো এতক্ষণে যেন একটু বিরক্ত হয়ে উঠেছে, তারা আরো জোরে জোরে বলতে লাগলো সমস্বরে, “হাল ছেড়ে দাও বন্ধু!” উত্তরে ব্যাঙটা আরো দ্বিগুণ উৎসাহে দাপাদাপি জুড়ে দিল, এবং সবার চোখ ছানাবড়া করে দিয়ে একলাফে উঠে আসলো কুয়োর দেয়ালে! চোখ ঝলমল করছে তার বিশ্বজয়ের আনন্দে, হাঁপাতে হাঁপাতে ছুটে জড়িয়ে ধরলো সে পালের গোদা বুড়ো ব্যাঙটিকে। “কী বলে ধন্যবাদ জানাবো আমি তোমাদের! মৃত্যু আমাকে গ্রাস করতে এসেছিল, তোমরা পুরোটা সময় আমাকে উৎসাহ যুগিয়ে না গেলে অনেক আগেই হয়তো হাল ছেড়ে দিতাম!”

_ব্যাঙেরা কথা শুনে হতবাক হয়ে মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে, বুড়ো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বলতে যায়, “কিন্তু আমরা তো আসলে_..”
❤️🔥

*তার কথা কেড়ে নিয়ে ব্যাঙটি বলে উঠে, “খুব দুঃখের বিষয় আমি কানে শুনতে পাইনা! আজ তোমরা যেভাবে নেচে-গেয়ে উৎসাহ যুগিয়ে গেলে, না জানি কতো অনুপ্রেরণামাখা কথা বলেছ*!

তোমাদের উৎসাহ দেখে আমার জেদ চেপে গিয়েছিল, কিছুতেই হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না!”

```লজ্জায় মাথা নত হয়ে আসে সবগুলো ব্যাঙের, বৃষ্টির কূল ছাপানো কল্লোলে বধির ব্যাঙটি একাই ডেকে ওঠে মনের আনন্দে ঘ্যাঙরঘ্যাঙ শব্দে!```


*শিক্ষা ও অনুপ্রেরণা*

➿👌🏼👌🏼👌🏼👌🏼👌🏼👌🏼👌🏼➿

_সত্যিই তো, কখনো কখনো তোমার একটি কথা কারো বুকে শূল হয়ে বিঁধতে পারে, যেমনটি ঘটেছে প্রথম ব্যাঙটির ক্ষেত্রে। তাই সবসময় অনুপ্রেরণা যোগাবে সবাইকে, প্রত্যেকটি মানুষের কিছু না কিছু গুণ থাকে সেটিকে উৎসাহ দিবে_। তোমার ছোট্ট একটু অনুপ্রেরণা একজন মানুষের জীবন একদম বদলে দিতে পারে, সেটি কখনো ভুলে যেয়ো না। আর যারা তোমাকে হতাশার কথা শোনাবে, তাদের জন্য হয়ে ওঠো দ্বিতীয় ব্যাঙটির মতো! হতাশা একটি বিলাসিতা,


```সুতরাং কেউ তোমাকে এসব শোনাতে আসলে সেগুলো এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দিবে।```

_শেষ করছি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা দিয়ে...._

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে",

যদি       গহন পথে যাবার কালে কেউ ফিরে না চায়—
                   তবে        পথের কাঁটা
ও তুই       রক্তমাখা চরণতলে        একলা দলো রে॥

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে",
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
🙏🙏🙏
সংগ্রহ ও সংযোজন:
এস কে জুয়েল

আজ এই

পর্যন্তই , আশা করি ভালো লেগেছে।ভালো থাকবেন।সুস্থ থাকবেন। নিজের যত্ন নেবেন।দুআ করবেন।।

শোনাবো গল্প আবারও কোনোদিন!⭕😊⭕😊⭕😊☺️⭕🪄👑

Tuesday, June 15, 2021

Aadhaar Card-এর সঙ্গে Ration Card link লিঙ্ক করবেন কী ভাবে? দুয়ারে রেশন পেতে এখনই জানুন...*

*Aadhaar Card-এর সঙ্গে Ration Card লিঙ্ক করবেন কী ভাবে? দুয়ারে রেশন পেতে এখনই জানুন...*

Link Aadhaar Card With Ration Card Online: খুব সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড লিঙ্ক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অনলাইনে খুব সহজেই করতে পারবেন এই কাজ। কী ভাবে করনে, জেনে নিন।
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক:



এক দেশ, এক রেশন কার্ড প্রকল্প দ্রুত কার্যকর করতে রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সম্প্রতি রাজ্যে Aadhaar Card-এর সঙ্গে Ration Card লিঙ্ক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। অনলাইনে খুব সহজ কিছু পদ্ধতির সাহায্যেই এই কাজ করা যাবে। যত দ্রুত সম্ভব রেশন কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড লিঙ্ক করিয়ে নেওয়া জরুরি। কারণ, তবেই আপনার দুয়ারে রেশন পৌঁছে যাবে। কী ভাবে অনলাইনে Aadhaar Card-এর সঙ্গে Ration Card লিঙ্ক করবেন? জেনে নিন সহজ পদ্ধতি।


পশ্চিমবঙ্গে Aadhaar Card-এর সঙ্গে Ration Card লিঙ্ক করার পদ্ধতি -

* অনলাইনে Aadhaar Card-এর সঙ্গে Ration Card লিঙ্ক করতে, শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য দফতরের ওয়েবসাইট food.wb.gov.in ওপেন করুন।
* ওয়েবসাইটের বাঁ দিকে উপরে 'Ration Card' অপশনে ক্লিক করুন।
* এবার 'Apply Online' অপশন সিলেক্ট করুন।
* ঠিক তার পরেই সিলেক্ট করুন 'Apply for updation of Mobile number and aadhaar card for already exiting ration card{form-11}' অপশন।
* এবার একটি নতুন পেজ ওপেন হবে। ইতিমধ্যেই আপনার রেশন কার্ডে যে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক রয়েছে, সেই নম্বরটি দিয়ে দিন।
* এখানে আপনার অ্যাকাউন্টের সব তথ্য উঠে আসবে। সেখানে আধার নম্বর দিয়ে প্রয়োজনীয় নথি জমা দিন।

* এর পরে সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।
* আপনার কোন মোবাইল নম্বর রেশন কার্ডের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, তা জানা না থাকলে 'I don’t know which mobile number I have in my Ration Card' অপশন সিলেক্ট করুন।
* এর পরে রেশন কার্ডের ক্যাটাগরি সিলেক্ট করে রেশন কার্ড নম্বর দিয়ে দিন।
* সব কাজ শেষ হলেই, আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য দেখা যাবে।
Digital Ration Card West Bengal



এবার Aadhaar Card-এর সঙ্গে Ration Card আদৌ লিঙ্ক হয়েছে কী না, তা জানবেন কীভাবে?
* প্রথমেই food.wb.gov.in ওয়েবসাইট ওপেন করুন।
* হোম পেজে 'Ration Card Option' সিলেক্ট করুন।
* এবার 'Verify Ration Card{Verify e-RC/DRC}' অপশনে ক্লিক করুন।
* তার পরে একটি নতুন পেজ ওপেন হবে।
* এখানে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে দিন।
* এবার Ration Card ক্যাটেগরি ও রেশন কার্ড নম্বর দিয়ে ক্যাপচা কোড দিন।
* তার ঠিক পরই আপনি রেশন কার্ডের সঙ্গে লিঙ্ক থাকা মোবাইল নম্বর, পরিবারের প্রধান সদস্য ও আধার কার্ডের নম্বর দেখে নিতে পারবেন।
ভুয়া রেশন ধারীরা এখন ধরা খাবে।।

Sunday, June 13, 2021

*_হতাশা কী ও হতাশা দূরীকরণের উপায় :_

*Good Morning*
❤️________________❤️
```হতে পারে তোমার প্রতিটা দিন ভালো না কাটুক, কিন্তু প্রত্যেকদিন কিছু না কিছু ভালোই ঘটে |```

 ```তোমার দিন শুভ হোক”তুমি এখনো বেঁচে আছো কারণ এই পৃথিবীতে তোমার এখনোও কোনো দারুন কিছু করা বাকি আছে, তাই হতাশ কখনোই হয়োনা আর নিজের কাজকে উদ্যমের সাথে করে যাও```

_”কোনো কিছুই অসম্ভব নয়, যখন ঈশ্বর আপনার পাশে আছে | শুভ সকাল”_

➖➖➖➿➖➖➖➿➖➖
*আজকের শিক্ষণীয় বিষয়*

*_হতাশা কী ও হতাশা দূরীকরণের  উপায় :_*
🔵⚫➖🔵🟡➖🔵➖⚫🟡

বতর্মানে হতাশা একটি কমন শব্দ । বলা যেতে পারে হতাশা আসলে স্বাভাবিক ক্রিয়া, এটি একটি মানসিক অবস্থা। আজকাল আট থেকে আশি সকলের মুখে শোনা যায় সকলেই নাকি এই হতাশায় ভোগে।

*জানেন কি এই হতাশার আর মানসিক চাপ এর কারণেই আজ থেকে 1বছর আগে আজকের  এই দিনেই  অর্থাত 14 ই জুন 2020 এ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত এর অকালে পৃথিবী থেকে বিদায়*,, অনেকের মতে তিনি সুইসাইড করেছেন আবার অনেকের মতে কি ষড়যন্ত্রের শিকার হলে মারা জান। যায় হোক না কেনো কারণ একটাই ছিলো সেটা ছিল Frustration বা হতাশা।



*এসো দেখে নেই সাধারণত: কি কি কারনে এই হতাশা আসতে পারে :*

🔵🟡➖➖➖➖➖➖🟡🔵

```কখনও কাজের চাপে অবসাদ, কখনও চাকরি না পাওয়ার অবসাদ, কখনও বৈবাহিক জীবনে অশান্তির কারণ আসা অবসাদ, কখনও বা জীবনে উপযুক্ত সঙ্গী না পাওয়ার অবসাদ, কখনও অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়ার ভয়, হতাশা থেকে আসা অবসাদ। জীবনে যে কোনও স্তরে যে কোনও কারণে আমাদের ঘিরে ধরতে পারে অবসাদ।```


কখনও এই অবসাদই ধারণ করে চরম আকার। ```দীর্ঘদিন ধরে অবসাদে ভুগে মানুষ বেছে নেয় আত্মহত্যার মতো অবাঞ্ছিত রাস্তা।```
 অবসাদ কাটাতে চিকিত্‍সকদের সাহায্য পাওয়া গেলেও নিজেকে নিজে সাহায্য না করলে অবসাদ কাটানো কখনই সম্ভব নয়।


_*কিছু জিনিস মেনে চললে কাটতে পারে অবসাদ বা হতাশা তেমনই কিছু উপায়-*_
⚫⚫➖➖➖➖➖➖⚫

🔘🔘নেগেটিভ কথা বলা বন্ধ করুন-অবসাদে ডুবে থাকা মানুষ নিজের চারপাশে সবসময়ই হতাশা দেখে। কথাবার্তার মধ্যেও ফুটে ওঠে নেগেটিভ চিন্তাভাবনা। নিজের সম্পর্কে সংশয়, নিজেকে মূল্যহীন ভাবেন অবসাদে ভোগা মানুষ। এইসময় মানুষ খারাপ কিছু ঘটলে নিজেকে দোষ দেয়, ভাল কিছু ঘটলে ভাগ্যকে ধন্যবাদ জানায়। নেগেটিভ চিন্তা, নেগেটিভ কথাবার্তা থেকে দূরে থাকা উচিত্‍ অবসাদে ভোগা মানুষের।


🔘🔘ক্ষোভ-অপ্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে ভাবা ও প্রয়োজনের থেকে বেশি চিন্তা করা থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। এইসব ক্ষোভ, ভাবনা চিন্তাই আপনার সবথেকে বড় শত্রু। এরাই আপনাকে অবসাদের গভীরে নিয়ে যায়। বই পড়ে বা পাজল সলভ করে সময় কাটালে অবসাদ থেকে দূরে থাকা যাবে।

🔘🔘🔘নিজের ইন্দ্রিয়কে সজাগ রেখে দৃশ্য, স্পর্শ, শব্দ, স্বাদের ব্যাপারে মনযোগী থাকুন। নিজেকে মনযোগী করে কাজের মধ্য ব্যপ্ত থাকলে নেগেটিভ চিন্তা মাথায় আসবে না।  



*মানসিক সুখ-শান্তি আনার ৭টি পদ্ধতি—*
✅✅✅✅✅✅✅✅✅


১. শান্তি, উৎসাহ, সুস্বাস্থ্য আর আশা দিয়ে মনকে ভরপুর করুন।
২. যেসব মানুষকে আপনি পছন্দ করেন না, তাদের নিয়ে চিন্তা করে আপনার এক মিনিট সময়ও নষ্ট করবেন না।
৩. মানুষের অকৃতজ্ঞতাকে মেনে নিন।
৪. সমস্যাগুলো নয়, আপনার প্রাপ্তিগুলো গণনা করুন।
৫. নিজের মতো হোন। মনে রাখবেন, এই পৃথিবীতে আর কেউ আপনার মতো নন।
৬. ক্ষতির মধ্যেও লাভ বের করুন। আপনার ভাগ্যে একটি লেবু থাকলে লেবুর সরবত বানান।
৭. অন্যের সুখ-শান্তি তৈরি করুন।


*দুশ্চিন্তা জয়ের নির্ভুল পদ্ধতি—*
১. প্রার্থনা করুন।
২. বর্তমান নিয়ে বাঁচুন।


*বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান*
সবসময় একাকী থাকা মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি হৃদযন্ত্রেরও ক্ষতি করতে পারে। এমনকি কখনও হৃদরোগ ধরা না পড়লেও ক্ষতির আশংকা থেকেই যায়।

তাই একাকী ঘরে বসে না থেকে বন্ধুদের সঙ্গে বের হয়ে পড়ুন। তবে এক্ষেত্রে প্রকৃত বন্ধু নির্বাচনে সচেতন হতে হবে।


*ডায়েরি লিখুন :আপনি হয়তো কখনোই ডায়েরি লেখেননি। যে বিষয়টি আপনাকে কষ্ট দিচ্ছে, মানসিক চাপের কারণ হচ্ছে সেটি একটি ডায়রিতে লিখুন।*
 পাশাপাশি আপনি কী চান বা কী করলে আপনার ভালো লাগত সেই বিষয়টিও লিখুন। ডায়েরি লেখার এই অভ্যাসটি মানসিক চাপ কমাতে অনেকটা সাহায্য করবে আপনাকে। 


*ঘুম’ থেকে ভালো Stress Looser আর কিছু হতে পারে না। তাই যখন কোনোও কিছুই আর ভালো লাগবে না বা মনে হবে কোনো কিছুতেই মন দিতে পারছেন না, তখন একটু নিরিবিলি জায়গা দেখে পাওয়ার ন্যাপ নিয়ে নিন। দুশ্চিন্তা কেটে যাবে*!

🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
```*আজ এই পর্যন্তই, আশা করি এই লেখাটি বাস্তব জীবনে খুব কাজে লাগবে ।

লেখা সংগ্রহ ও সংযোজিত...
©Your faithfully......©
এস কে. জুয়েল


 *লেখাটি ভালো লাগলে কিন্তু শেয়ার করতে ভুলো না*  ।```

রমজান ও রোজা সম্পর্কে জেনে নিন!

* সেহরী র ইফতার মানে কি?* *রোজা ,রমজান কি? বিস্তারিত ভাবে জানতে চাই* 🎉 🎉🎉🎉🌻🏵️🌻🌻🌻🌻🏵️🏵️🏵️🍁🍁🍁🍁🍁 উত্তর : শুরু হতে যাচ্ছে রমজা...