Monday, April 9, 2018

⛳⛳একজন_মুমিনের_প্রাত্যাহিক_আমল_ও_করণীয়

(...........বাকি অংশ)🎯🎯


°~°~°~°~°~°~°~°°~°~°~

 🌿🌿কোন কর্মে দ্বিধাগ্রস্ত হলে নিজ রবের কাছে পরামর্শ নিন এবং তার জন্য ইস্তিখারার নামায পড়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন।


 🌿🌷কঠিন বিপদে বা সমস্যায় পড়লে অথবা কোন প্রয়োজন পূরণ করার দরকার হলে স্বালাতুল হা-জাহ পড়ে আল্লাহর কাছে আবেদন জানান।


 🌿🌿কোন পাপ করে ফেললে আল্লাহর কাছে ক্ষমা লাভের জন্য স্বালাতুত তাওবাহ পড়ে তাঁর কাছে প্রার্থনা জানান।


 🌲🌱চন্দ্রে অথবা সূর্যে গ্রহণ লাগলে যথানিয়মে জামাআত সহকারে তার নামায পড়ুন।


 💮💮🌸অনাবৃষ্টি দেখা দিলে যথানিয়মে জামাআত সহকারে স্বালাতুল ইস্তিস্কা পড়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করুন।


 🌾🌼🌼জুমআর দিন বেশী বেশী দরূদ পড়ুন, সূরা কাহফ পড়ুন। সকাল সকাল গোসল করে মসজিদে উপস্থিত হন। নিয়মিতভাবে জুমআর নামায আদায় করুন। এই দিনে দু‘আ কবুল হওয়ার সময় খুঁজতে আল্লাহর ইবাদতে ও দু‘আয় মশ্গুল থাকুন। অবশ্য রুযী সন্ধানের প্রয়োজন থাকলে কাজে বেরিয়ে যান।


 🌿🌷💮 #প্রত্যেক_সোম_ও_বৃহস্পতিবার_রোযা_রাখুন🌷


 ☘️🌷প্রত্যেক হিজরী মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ এই তিনদিন রোযা রাখুন।


  🌾🌾🌷 যেহেতু আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘‘প্রত্যেক মাসে তিনটি রোযা রাখা সারা বছর রোযা রাখার সমতুল্য।’’[5]


   🌳🌲🌱আবূ যার্র (রাঃ) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সাঃ) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক মাসে ৩টি করে রোযা রাখবে, তার সারা বছর রোযা রাখা হবে। আল্লাহ আযযা অজাল্লা এর সত্যায়ন অবতীর্ণ করে বলেন,  مَنْ جَاءَ بِالْحَسَنَةِ فَلَهُ عَشْرُ أَمْثَالِهَا


  🌺🌻🌻 #কেউ_কোন_ভাল_কাজ_করলে, সে তার ১০ গুণ প্রতিদান পাবে।[6] এক দিন ১০ দিনের সমান।’’[7]


  🌼🌼  ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেছেন, ‘‘ধৈর্যের (রমযান) মাসে রোযা আর প্রত্যেক মাসের তিনটি রোযা অন্তরের বিদ্বেষ ও খট্কা দূর করে দেয়।’’[8]


 🌿🌼মুহার্রাম মাসের অধিকাংশ দিন রোযা রাখার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে ৯ ও ১০ তারীখে আশূরার রোযা রেখে এক বছরের পাপ মাফ করিয়ে নিন।


 🌱🌼💮শা’বান মাসের অধিকাংশ দিন রোযা রাখার চেষ্টা করুন। রমযানের মাসের রোযা রাখার সাথে সাথে নিয়মিত তারাবীহ পড়ুন। বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ রাত্রি শবেকদরের রাত্রির খোঁজে শেষ দশকের সমস্ত বেজোড় রাত্রি জাগরণ করে ইবাদত করার চেষ্টা করুন। রমযানের পর শওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখুন। আপনার সারা বছর রোযা রাখা হবে।


 🌾🌼🌺🌺বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ দিন যুল-হজ্জ মাসের প্রথম নয় দিন সর্বপ্রকার নেক আমল করার চেষ্টা করুন। এই নয় দিনে রোযা রাখুন। বিশেষ করে এ মাসের ৯ তারীখে আরাফার রোযা রেখে গত ও আগামী এক বছরের (সর্বমোট দুই বছরের) গোনাহ মাফ করিয়ে নিন। ১০ তারীখে সাধ্যমত কুরবানী করুন। ঈদের নামায পড়ে খুশী হন, অপরকে খুশী করুন।


 ☘️🍀🌲 #খুব_বেশী_শক্তি_থাকলে একদিন পর একদিন দাঊদী রোযা রাখুন। যৌন-পীড়ায় পীড়িত হলে রোযা রেখে তার উপশম খুঁজুন।


☘️🌼🌾 #প্রত্যহ_সামর্থ্য_হলে_কিছু_না_কিছু_দান করুন। অন্নহীনকে অন্নদান করুন। 

অক্ষম ব্যক্তির সহযোগিতা করুন। এতীম-বিধবার খোঁজ খবর রাখুন। জানাযায় অংশগ্রহণ করুন। সামাজিক কাজ করুন। সৎকাজে আদেশ করুন ও মন্দ কাজে বাধা দিন। বিবদমান গোষ্ঠীর মাঝে সন্ধি স্থাপন করুন। যুলম থেকে বিরত রেখে যালেমের ও যুলম প্রতিহত করে মযলূমের সহযোগিতা করুন। নিজের জন্য যা পছন্দ করেন, তা অপরের জন্য পছন্দ করুন। অপরের ত্রুটি গোপন করুন। অপরকে ক্ষমা প্রদর্শন করুন।


 🍀🌱🌷🏵️ #বড়দের_সম্মান_করুন। আলেমদের শ্রদ্ধা করুন এবং তাঁদের পাশে বসুন। দৈনিক কিছু কিছু করে কুরআন ও হাদীসের জ্ঞান অর্জন করুন। সহীহ দলীল-ভিত্তিক আকীদা, ফারায়েয ও হারাম-হালাল শিখুন। 


 🌷🌼🌼💮 #বিদআত_থেকে_সুদূরে থাকুন। ইসলামী ক্যাসেট শুনুন। ইসলামী বই পড়ুন। হিকমতের সাথে আল্লাহর দিকে মানুষকে আহবান করুন। বিপদ ও কষ্টের সময় ধৈর্য ধারণ করুন। প্রত্যেক কষ্টে সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছেই সাহায্য ভিক্ষা করুন। বিশ্বজাহানের মুসলিমদের জন্য দু‘আ করুন। জিহাদের সামর্থ্য থাকলে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করুন।


 🌿🌻🌾🌼 #সর্বদা_আল্লাহর_উপর_ভরসা_রাখুন। আপনার মন আল্লাহর সাথে সংযুক্ত থাক। আপনার হৃদয় মসজিদের সাথে লটকে থাক। সংসারের কাজ থাকলে কাজ করুন। পিতামাতা ও স্ত্রীর কাজে সহযোগিতা করুন। কাজের ফাঁকে ফাঁকে আল্লাহকে স্মরণ করুন। আযান হলে আবার মসজিদে আসুন।


 🌼🌻🌷🌷 #পিতামাতার_হক_আদায় করুন। আদায় করুন স্ত্রী-সন্তানের হক। আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশী ও সাক্ষাৎকারীর হকও ভুলে গিয়ে নির্জনে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন হবেন না। যেহেতু সেগুলিও তুলনামূলক বড় ইবাদত। অসংখ্য বন্ধন মাঝে মহানন্দময় মুক্তির স্বাদ লাভ করতে হবে আপনাকে।


🌿 #আর_জেনে_রাখুন যে, আল্লাহর রসূল (সাঃ) এশার আগে ঘুমাতে এবং পরে (অপ্রয়োজনীয়) কথাবার্তা বলতে নিষেধ করেছেন।[4]

=====°=====°======°=====°======°°======

 [4]. সহীহুল জা’মে হা/৬৯১৫ [5]. বুখারী তাওহীদ পাবঃ হা/১৯৭৯, মুসলিম আল-মাকতাবাতুশ-শামেলা হা/১১৫৯ [6]. সূরা আনআম-৬: ১৬০ [7]. তিরমিযী, ইবনে মাজাহ আল-মাকতাবাতুশ-শামেলা. হা/১৭০৮ [8]. বাযযার, সহীহ তারগীর হা/১০১৮

__________

বই: ইসলামী জীবনধারা

ভালো পোস্ট পেতে অনুসরণ করুন fb.com/Juyel.sk2

Juyelsk.blogspot.com


🎯⛳⛳

#আল্লাহ্ আমাদের সবাই কে সত্যের পথে চালিত করুন ।আমীন!


No comments:

Post a Comment

রমজান ও রোজা সম্পর্কে জেনে নিন!

* সেহরী র ইফতার মানে কি?* *রোজা ,রমজান কি? বিস্তারিত ভাবে জানতে চাই* 🎉 🎉🎉🎉🌻🏵️🌻🌻🌻🌻🏵️🏵️🏵️🍁🍁🍁🍁🍁 উত্তর : শুরু হতে যাচ্ছে রমজা...